Ad Clicks : Ad Views :

করোনার সংক্রমণ ঠেকাতে এ কেমন বিশেষ গাড়ি

/
/
/

করোনার সংক্রমণ এড়াতে আসন্ন বেইজিং অলিম্পিকে থাকবে বিশেষ এক মালবাহী গাড়ি। যার মাধ্যমে বায়োবাবলে থাকা সবাই সহজেই তাদের প্রয়োজনীয় সরঞ্জামাদি পেয়ে যাবেন মানুষের স্পর্শ ছাড়াই। কারণ গাড়িটি চলবে কোনো মানুষ ছাড়াই, মাত্র রিমোটের সাহায্যে।

আগামী বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে চীনের বেইজিংয়ে পর্দা উঠছে শীতকালীন অলিম্পিকের। তার আগে বিশ্বজুড়ে আলোচনার ঝড় উঠেছে এই আসরকে নিয়ে। যার শুরুটা হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের এই অলিম্পিক থেকে সরে যাওয়ার ঘোষণার মধ্য দিয়ে। এরপর অস্ট্রেলিয়াও হেঁটেছে একই পথে। যুক্তরাষ্ট্রসহ বেশ কয়েকটি দেশের রাজনৈতিক সম্পর্কের টানাপোড়েন যার অন্যতম প্রধান কারণ।

এদিকে চীন সরকার নিজেদের অবস্থানে অনড়। কাউকে ছাড় দেবে না একটুও। নির্দিষ্ট সময়ে গড়াবে অলিম্পিক গেমস। এরই মধ্যে সব রকম প্রস্তুতিও সেরে ফেলেছে তারা। তারই অংশ হিসেবে করোনার সংক্রমণ এড়াতে নতুন এক পদ্ধতি বের করেছে আয়োজকরা। গেমস চলাকালে বিভিন্ন দেশ থেকে অ্যাথলিটরা আসবে চীনে। সংক্রমণের ঝুঁকি কমাতে থাকবে বায়োবাবল ব্যবস্থা। এ ছাড়া মানুষের সংস্পর্শ এড়াতে থাকবে রিমোটচালিত বিশেষ এক মালবাহী গাড়ি। যার মাধ্যমে এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় সহজেই স্থানান্তর করা যাবে আসবাবপত্রসহ, টেকনিক্যাল ও খেলাধুলার সরঞ্জামাদি।

বিশেষ এই গাড়ি সম্পর্কে বলতে গিয়ে বেইজিং অলিম্পিকের প্রধান লজিস্টিক লি জিন বলেন, মূলত বায়োবাবলের ভেতরে ও বাইরে যে কোনো ধরণের জিনিসপত্র এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় স্থানান্তর করার কাজে ব্যবহার করা হবে এই গাড়ি। এতে কমে আসবে মানুষের সংস্পর্শতা। এই মালবাহী গাড়ি ছাড়াও আমাদের আলাদা একটা বাফার জোন তৈরি করা হবে। যেখানে প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র গাড়ি থেকে তুলে রাখা হবে এবং বায়োবাবলে থাকা সবাই তা নিজ উদ্যোগে সেখান থেকে নিয়ে নিতে পারবে। এর মাধ্যমে সংক্রমণের ঝুঁকি কিছুটা হলেও কমবে। কারণ এতে বায়োবাবলের বাইরে যেতে হবে না। তবে অবশ্যই গাড়িটি সবসময় পরিষ্কার ও জীবাণুমুক্ত রাখতে হবে।

মূলত অলিম্পিক গেমস শেষ হয়ে গেলে অনেক জিনিসপত্র কিংবা সরঞ্জামাদি অলিম্পিক জোনে থেকেই যায়। যেগুলো পরবর্তীতে আর ব্যবহার করা হয় না। বেইজিং অলিম্পিক শেষ হওয়ার পর যেন কোনো কিছু অপচয় না হয়, সে জন্য সীমিত করা হয়েছে খরচ।

লজিস্টিকস ডিপার্টমেন্টের পরিচালক লি ইয়ানলিংয়ের মতে, অনেক সরঞ্জামাদি আছে যেগুলো আমরা কিনতে পারি। আবার এমন অনেক কিছুই আছে যেগুলো ধার করতে পারি বা ভাড়া করতে পারি। আর আমরা সেটাই করেছি। বিষয়টা হাস্যকর মনে হলেও এটাই সত্যি। আমরা এমন কোনো কিছু ্‌ কিনতে চাইনা যেটা ভাড়া নেয়া যাবে। কারণ এতে শুধু অপচয় হবে।্‌ এদিকে বেইজিং অলিম্পিক গেমস সামনে রেখে মশাল র‌্যালি কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

  • Facebook
  • Twitter
  • Google+
  • Linkedin
  • Pinterest

Leave a Comment

Your email address will not be published.

This div height required for enabling the sticky sidebar